Ads by tnews247.com
ঘুমানোর ইসলামী বিধান

ঘুমানোর ইসলামী বিধান

Fri November 21, 2014     

রসুল (সা.) সব সময় ডান পাশ হয়ে ডান হাতের তালুর ওপর মুখমণ্ডলের অংশ বিশেষ (গাল) রেখে কিবলামুখী হয়ে শয়ন করতেন। এর কারণ অজানা নয়। বুকের বাম পাশে হৃৎপিণ্ডের অবস্থান। চিকিৎসকরা সব সময় হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ প্রয়োগে নিষেধ করেছেন। সুতরাং কেউ বাম পাশ হয়ে শয়ন করলে স্বাভাবিকভাবেই তার হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ পড়বে। রসুল (সা.) ঘুমানোর আগে এক খণ্ড বস্ত্র দিয়ে তিনবার তার বিছানা পরিষ্কার করে নিতেন যাতে কোনো বিষাক্ত পোকামাকড় তাকে কামড়ানোর সুযোগ না পায়। আমাদের আজ ভাবতে অবাক লাগে ১৪০০ বছর আগে যখন আধুনিক কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল না তখনকার সময়ে উম্মি নবী (সা.) আমাদের ঘুমানোর আদর্শ পদ্ধতি বাতলে গেছেন। তাঁর উপদেশ ছিল প্রজ্ঞাময় ও রহমতস্বরূপ। রসুল (সা.) এশার নামাজের পর তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যেতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। আবু হুরায়রা (রা)-এর মতে, 'রসুল (সা.) এশার নামাজের পর ঘুমাতে পছন্দ করতেন। তিনি এশার পর কথা বলা পছন্দ করতেন না।' দুর্ভাগ্য, আমাদের দেশের শহরের লোকেরা গভীর রাত পর্যন্ত টিভি দেখে ঘুমাতে যায়, তাদের অনেকেই সূর্য ওঠার আগে ফজরের নামাজই পড়তে পারে না। এশার নামাজ জামাতে পড়ার পর ফজরের নামাজও জামাতে পড়া হলে সারা রাতই নামাজে কেটেছে ধরে নেওয়া হয়। রসুল (সা.) সূর্য ওঠার পর ঘুমানোকে রিজিকের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করতেন। দিন কাজের জন্য আর রাত বিশ্রাম বা আরামের জন্য, রাত নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের জন্য। সময় থাকা সাপেক্ষে দিনের বেলায় দুপুরের আহারের পর একটু বিশ্রাম (কায়লুলাহ) করে নেওয়া যায়। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এর ফলে রাতের বেলায় আল্লাহর ইবাদতে যে কষ্ট হয় তা লাঘব হয়। এর জন্য গভীর ঘুমের প্রয়োজন হয় না। এর জন্য শুধু বিছানায় শুয়ে একটু বিশ্রাম নিলেই চলে। সাহল ইবন সা'দ (রা) বলেন, 'আমরা কায়লুলাহ করতাম আর জুমার নামাজের পর আহার করতাম।' আসলে যারা রাতে ঘুমায় না তারা অজ্ঞ ছাড়া কিছুই নয়। রসুল (সা.) ঘুমাতে যাওয়ার আগে দোয়া করতেন, 'হে আল্লাহ! আমাকে তোমার শাস্তি হতে রক্ষা কর যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের একসাথ করবে বা তোমার বান্দাদের জীবিত করে উঠাবে।' চিকিৎসা বিজ্ঞানও অতিরিক্ত রাত জাগার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাই আসুন আমরা ইসলামী বিধানের আলোকে ঘুমানোর অভ্যাস করি।






Facebook এ আমরা

আরও খবর


দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয় রহমত, ক্ষমা ও মুক্তির মাস মাহে রমজান। এ মাসে সকল নেক কাজে অধিক সওয়াব লাভ করা যায়। এবাদতের পাশাপাশি দান-সদকা করলে তার সওয়াবও অনেক বেশি। রমজান মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও করণীয় হলো এই দান-সদকা।

 

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে মাহে রমজান দয়া ও করুণার মাস। দয়া ও রহমত হচ্ছে আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ। স্বয়ং রাব্বুল আলামিন মানুষকে রহম করেন এই মাসে। তিনি যাকে ইচ্ছা তার অন্তরে এই রহমত দান করেন। তা

 

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। মোমিন মুসলমানদের জন্য এ মাসটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত রহমতুল্লিল আলামিন হজরত মোহাম্মদ মুস্তাফা (সা.)-এর নবু

 

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে মোমিনের জন্য মাহে রমজান আল্লাহর তাআলার পক্ষ থেকে অশেষ রহমত স্বরূপ। রমজানে রোজা রাখার পাশাপাশি বান্দা যত বেশি ইবাদত করবে তত বেশি সওয়াব পাবে। তাই আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত পেতে আমাদের বেশি বেশি ইবাদত ক

 

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ১৬তম রোজা পালন করবেন সোমবার। এই দিনের রোজা রাখতে সাহরি খেতে হবে রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৩৮মিনিটের পূর্বে।

 

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা অনিয়ম, অসংযমী কাজ করে ফেলি। আমরা অধৈর্য হয়ে পড়ি এবং অন্যায় বা গুনাহের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলি। অনেক সময় আমরা বিপদে পড়েও ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার কিংবা নি

 

কুরান তেলাওয়াত


অন্যান্য

দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয়

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময়

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস

তওবা-এস্তেগফারের মাস মাহে রমজান

চলতি বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা, এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা

জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

রমজানে ওমরা করলে হজ করার সওয়াব!

ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

স্রষ্টার কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে হবে

সম্মান দেখানোর জন্য কী বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো ইসলামে জায়েজ ?

রমজান সম্পর্কে কিছু কথা আপনি যানেন কী?

রমজানে তারাবির নামাজের নিয়ম, নিয়ত ও দোয়া

সকল জেলার প্রথম রোজার সেহরীর সময়

সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে

আদৌ পনেরো শাবানের রাত্রির কোনো ফজিলত বা বিশেষত্ব আছে কি?

প্রতিবন্ধীদের জন্য মসজিদ, রয়েছে খুৎবা শোনার ব্যবস্থা

হে তরুণ যাচ্ছ কোথায়? ফিরে এসো!

সম্পাদক: মেহারাব খান মুন
৩৮ গরিব এ-নেওয়াজ এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০. ইমেইল: info@tnews247.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত tnews247.com ২০১৪
Hosted & Developed by N. I. Biz Soft