Ads by tnews247.com
দুনিয়াকে ধরে রেখেই দ্বীনদার হতে হবে

দুনিয়াকে ধরে রেখেই দ্বীনদার হতে হবে

Tue November 11, 2014     

ইমানের পেছনে মেহনত করা, ইমানের হাকিকত বোঝা, সেই অনুযায়ী আমল করা আমাদের প্রত্যেকের পক্ষে অনেক সময় সম্ভব হয় না। কারণ আমরা মনে করি, দ্বীনদার হতে গেলে দুনিয়া ছাড়তে হবে। দুনিয়াদারির সঙ্গে দ্বীনদার হওয়া যায় না। এটা একটা ভুল ধারণা। আমি দুনিয়াদার হয়েও দ্বীনদার হতে পারি। দ্বীনদার হতে হলে দুনিয়া ছাড়তে হবে- এই শিক্ষা দ্বীনের কোথাও নেই। সূরা জুমায় বলা হয়েছে, 'হে লোক সকল! জুমার দিন যখন আজান হয়ে যায়, তোমরা বেচাকেনা ছেড়ে মসজিদে চলে যাও।' (সূরা জুমা : ৯) তাহলে দেখা যাচ্ছে, এই আয়াতে মহান আল্লাহতায়ালা মানুষকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠিয়ে মসজিদের দিকে নিচ্ছেন। এই কথা বলেননি যে, তুমি ঘর থেকে বেরিয়ে মসজিদের দিকে চলে এসো। বোঝা গেল ঘরে অলস বা বেকার সময় কাটানো ইসলামের কাছে পছন্দনীয় নয়। অথবা সারাক্ষণ মসজিদে বসে থাকাও ইসলামের দাবি নয়। বরং ছেলে-সন্তান, স্ত্রী-পরিজন, বাবা-মা প্রমুখ যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তার ওপর বর্তায়, তাদের জন্য রিজিকের সন্ধান করতে হবে। আজানের আগ পর্যন্ত সময়টা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে কাটানোই ইমানের দাবি। তাই বলা হয়েছে, 'যখন নামাজ শেষ হয়ে যায় তখন ভূমিতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহতায়ালার দেওয়া রিজিকের সন্ধান কর।' (সূরা জুমা : ১০)। এই নয় যে, এক ওয়াক্তের নামাজ পড়েছি আরেক ওয়াক্তের নামাজের অপেক্ষায় আমাকে মসজিদে বসে থাকতে বলা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, দুনিয়ার কাজে গিয়ে যেন আল্লাহতায়ালাকে ভুলে না যাই; বরং আল্লাহতায়ালাকে বেশি বেশি স্মরণ করি। আবার যখন মসজিদে আজান হয়ে যাবে তখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মসজিদে আল্লাহতায়ালার দরবারে হাজিরা দিতে হবে। এর নামই হলো দ্বীন। সুতরাং দুনিয়ার সব কাজকর্ম বাদ দিয়ে সারা দিন দ্বীনের নামে ঘুরে বেড়ানোকে দ্বীন মনে করা হলেও তা আসলে দ্বীন নয়। বরং এর দ্বারা স্ত্রী-পরিজন, ছেলে-মেয়ে, বাবা-মার হক নষ্ট করা হয়। যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব আল্লাহতায়ালা আমার ওপর ন্যস্ত করেছেন, তাদের হকের প্রতি অবহেলা করা কবিরা গুনাহ। মনে রাখতে হবে, তাদের হক আদায় করাও দ্বীনের একটি ফরজ বিধান। সুতরাং ফরজকে উপেক্ষা করার কোনো অবকাশ নেই। আমরা যদি নবী রসুলদের জীবন নিয়ে গবেষণা করি তাহলে দেখতে পারব যে, তারা কখনোই দুনিয়াকে বাদ দিয়ে দ্বীন পালন করেনি। ইসলামের ভাষ্য হলো মানুষ শুধু তার ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও ভোগের জন্যই সম্পদ অর্জন করবে না ব্যক্তি ও পরিবারের প্রয়োজনের পর লক্ষ্য করবে অসহায় আত্দীয়, অভাবী প্রতিবেশী ও নিঃস্ব মানুষের প্রতি। যারা আয় করতে অক্ষম। সুতরাং যদি সমাজের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ দুনিয়ার শ্রম দেওয়া ও অর্জন করা ছেড়ে দিয়ে দ্বীনদার হওয়ার স্বপ্ন লালন করতে থাকে তাহলে সমাজের আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে যাবে যেটা হবে মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য একটা বড় ধরনের বিপর্যয়। আমরা যেন নামাজকে না বলি যে কাজ আছে বরং কাজকে যেন বলি নামাজ আছে তাহলেই ব্যক্তি পরিবার সমাজ বিশ্বে আবার শান্তি ফিরে আসবে।






Facebook এ আমরা

আরও খবর


দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয় রহমত, ক্ষমা ও মুক্তির মাস মাহে রমজান। এ মাসে সকল নেক কাজে অধিক সওয়াব লাভ করা যায়। এবাদতের পাশাপাশি দান-সদকা করলে তার সওয়াবও অনেক বেশি। রমজান মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও করণীয় হলো এই দান-সদকা।

 

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে মাহে রমজান দয়া ও করুণার মাস। দয়া ও রহমত হচ্ছে আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ। স্বয়ং রাব্বুল আলামিন মানুষকে রহম করেন এই মাসে। তিনি যাকে ইচ্ছা তার অন্তরে এই রহমত দান করেন। তা

 

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। মোমিন মুসলমানদের জন্য এ মাসটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত রহমতুল্লিল আলামিন হজরত মোহাম্মদ মুস্তাফা (সা.)-এর নবু

 

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে মোমিনের জন্য মাহে রমজান আল্লাহর তাআলার পক্ষ থেকে অশেষ রহমত স্বরূপ। রমজানে রোজা রাখার পাশাপাশি বান্দা যত বেশি ইবাদত করবে তত বেশি সওয়াব পাবে। তাই আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত পেতে আমাদের বেশি বেশি ইবাদত ক

 

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ১৬তম রোজা পালন করবেন সোমবার। এই দিনের রোজা রাখতে সাহরি খেতে হবে রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৩৮মিনিটের পূর্বে।

 

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা অনিয়ম, অসংযমী কাজ করে ফেলি। আমরা অধৈর্য হয়ে পড়ি এবং অন্যায় বা গুনাহের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলি। অনেক সময় আমরা বিপদে পড়েও ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার কিংবা নি

 

কুরান তেলাওয়াত


অন্যান্য

দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয়

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময়

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস

তওবা-এস্তেগফারের মাস মাহে রমজান

চলতি বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা, এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা

জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

রমজানে ওমরা করলে হজ করার সওয়াব!

ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

স্রষ্টার কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে হবে

সম্মান দেখানোর জন্য কী বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো ইসলামে জায়েজ ?

রমজান সম্পর্কে কিছু কথা আপনি যানেন কী?

রমজানে তারাবির নামাজের নিয়ম, নিয়ত ও দোয়া

সকল জেলার প্রথম রোজার সেহরীর সময়

সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে

আদৌ পনেরো শাবানের রাত্রির কোনো ফজিলত বা বিশেষত্ব আছে কি?

প্রতিবন্ধীদের জন্য মসজিদ, রয়েছে খুৎবা শোনার ব্যবস্থা

হে তরুণ যাচ্ছ কোথায়? ফিরে এসো!

সম্পাদক: মেহারাব খান মুন
৩৮ গরিব এ-নেওয়াজ এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০. ইমেইল: info@tnews247.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত tnews247.com ২০১৪
Hosted & Developed by N. I. Biz Soft