Ads by tnews247.com
মহান আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন

মহান আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন

Mon October 27, 2014     

[রিয়াদুস সালেহীন, দ্বিতীয় খণ্ড, হাদীস নং ৪৫২-৪৫৬]

৪৫২ হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তিকালের পর একদা হযরত আবু বকর(রা) হযরত উমর (রা) কে বললেন, চলো, আমরা উম্মে আয়মানকে দেখে আসি, যেমন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে দেখতে যেতেন। অতঃপর তাঁরা যখন তাঁর কাছে পৌছলেন, তিনি কেঁদে ফেললেন।তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কাঁদছেন কেন? আপনি কি জানেন না যে, মহান আল্লাহর কাছে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত মঙ্গলময় পরিবেশে ও কুশলেই আছেন? তিনি বললেন, আমি কাঁদছি এ জন্য যে, আসমান থেকে ওহী আসা যে বন্ধ হয়ে গেলো! এ কথায় তাদের অন্তর প্রভাবিত হলো এবং তাঁর সাথে তাঁরাও কাঁদতে শুরু করে দিলেন। (মুসলিম)

৪৫৩ হযরত ইবন উমার(রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যথাজনিত রোগ যখন তীব্র আকার ধারণ করলো, সে সময় একদা তাঁকে নামাযে আহ্বান করা হলে তিনি বললেন; আবু বকরকে আদেশ করো, সে যেন সাহাবাদের সাথে নামায পড়ে(অর্থাৎ ইমাম হয়ে নামায পড়ায়) হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের মানুষ, যখন তিনি কুরআন তিলাওয়াত করবেন, তখন ক্রন্দন তার উপর প্রভাব বিস্তার করে। অতঃপর আবার তিনি বললেন; তাকে আদেশ কর সে যেন নামায পড়ায়।

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (আয়েশা) বলেন, আমি বললাম, আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন আপনার জায়গায় দাঁড়াবেন কান্নার কারণে মুসল্লিদের (কুরআন) শুনতে পারবেন না। (বুখারি ও মুসলিম)

৪৫৪ হযরত ইবরাহীম ইবন আবদুর রহমন ইবন আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। একদা আবদুর রহমান ইবন আউফের সামনে খাবার পেশ করা হলো, তখন তিনি ছিলেন রোযাদার। তিনি বললেন, মুস’আব ইবন উমায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু শহীদ হয়ে গেছেন। আর তিনি আমার চাইতে উত্তম লোক ছিলেন। তাঁকে কাফন দেয়ার মতো কাপড়ের ব্যবস্থাই ছিল না। তবে একটি চাদর ছিল, এ দ্বারা তাঁর মাথা ঢাকতে চাইলে তাঁর পা দুটি অনাবৃত হয়ে যেত, আর পা ঢাকতে চাইলে মাথা অনাবৃত হয়ে যেতো। অতঃপর আমাদের পার্থিব সুখ স্বাচ্ছন্দ দেয়া হলো। ভয় হচ্ছে, আমাদের সৎকাজের বিনিময়ে ইহকালের কখনো দস্তরখানে (খানার স্থানে) বসে খাদ্য গ্রহণ করেননি, আর কখনো চাপাতি রুটিও খাননি। (বুখারী)

৪৫৫ হযরত আবু উমাম সুদাই ইবন আজলান আল-বাহিলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহর কাছে দুটি বিন্দু (ফোঁটা) দুটি নিদর্শনের চাইতে প্রিয় বস্তু আর কিছু নেই। তার একটি হলো আল্লাহর ভয়ে নির্গত অশ্রুবিন্দু এবং অপরটি হলো; আল্লাহর পথে প্রবাহিত রক্তবিন্দু। আর নিদর্শন দুটি হলো, আল্লাহর পথে জিহাদ করা এবং আল্লাহর ফরযসমূহের মধ্য থেকে কোন ফরয আদায় করা। (তিরমিযী)

৪৫৬ হযরত ইরবাদ ইবন সারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সামনে এমন এক উপদেশপূর্ণ খুতবা দেন যাতে আমাদের অন্তর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে এবং চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হতে থাকে। (আবু দাউদ ও তিরমিযি)






Facebook এ আমরা

আরও খবর


দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয় রহমত, ক্ষমা ও মুক্তির মাস মাহে রমজান। এ মাসে সকল নেক কাজে অধিক সওয়াব লাভ করা যায়। এবাদতের পাশাপাশি দান-সদকা করলে তার সওয়াবও অনেক বেশি। রমজান মাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও করণীয় হলো এই দান-সদকা।

 

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে মাহে রমজান দয়া ও করুণার মাস। দয়া ও রহমত হচ্ছে আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ। স্বয়ং রাব্বুল আলামিন মানুষকে রহম করেন এই মাসে। তিনি যাকে ইচ্ছা তার অন্তরে এই রহমত দান করেন। তা

 

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান। মোমিন মুসলমানদের জন্য এ মাসটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত রহমতুল্লিল আলামিন হজরত মোহাম্মদ মুস্তাফা (সা.)-এর নবু

 

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে মোমিনের জন্য মাহে রমজান আল্লাহর তাআলার পক্ষ থেকে অশেষ রহমত স্বরূপ। রমজানে রোজা রাখার পাশাপাশি বান্দা যত বেশি ইবাদত করবে তত বেশি সওয়াব পাবে। তাই আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত পেতে আমাদের বেশি বেশি ইবাদত ক

 

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ১৬তম রোজা পালন করবেন সোমবার। এই দিনের রোজা রাখতে সাহরি খেতে হবে রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৩৮মিনিটের পূর্বে।

 

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা অনিয়ম, অসংযমী কাজ করে ফেলি। আমরা অধৈর্য হয়ে পড়ি এবং অন্যায় বা গুনাহের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলি। অনেক সময় আমরা বিপদে পড়েও ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার কিংবা নি

 

কুরান তেলাওয়াত


অন্যান্য

দান-সদকায় গুনাহ মাফ হয়

রোজাদারকে দয়া ও রহমতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে

বদরের যুদ্ধ ও সুমহান শিক্ষা

ইবাদত করতে হবে এখলাসের সঙ্গে

১৬তম রোজার সাহরি ও ইফতার সময়

রমজান ধৈর্য ও সংযমের মাস

তওবা-এস্তেগফারের মাস মাহে রমজান

চলতি বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা, এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা

জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

রমজানে ওমরা করলে হজ করার সওয়াব!

ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

স্রষ্টার কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে হবে

সম্মান দেখানোর জন্য কী বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো ইসলামে জায়েজ ?

রমজান সম্পর্কে কিছু কথা আপনি যানেন কী?

রমজানে তারাবির নামাজের নিয়ম, নিয়ত ও দোয়া

সকল জেলার প্রথম রোজার সেহরীর সময়

সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে

আদৌ পনেরো শাবানের রাত্রির কোনো ফজিলত বা বিশেষত্ব আছে কি?

প্রতিবন্ধীদের জন্য মসজিদ, রয়েছে খুৎবা শোনার ব্যবস্থা

হে তরুণ যাচ্ছ কোথায়? ফিরে এসো!

সম্পাদক: মেহারাব খান মুন
৩৮ গরিব এ-নেওয়াজ এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০. ইমেইল: info@tnews247.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত tnews247.com ২০১৪
Hosted & Developed by N. I. Biz Soft